১৪ মার্চ থেকে সিলেটে চলবে না যানবাহন।

সিলেট জৈন্তাপুর রিপোর্টার : মোঃ রুবেল আহমদ।
  • Update Time : Sunday, March 7, 2021
  • 128 Time View

সিলেটের চৌহাট্টায় অবৈধ স্ট্যান্ড উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে পরিবহন শ্রমিক-সিসিক-পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দায়েরকৃত ৩টি মামলা প্রত্যাহারসহ তিন দফা দাবি মানা না হলে আগামী ১৪ মার্চ সকাল থেকে পরিবহন শ্রমিকরা সিলেট জেলায় অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করবেন।
শনিবার (৬ মার্চ) বেলা ২টায় হুমায়ুন রশিদ চত্বরে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে সিলেট জেলা বাস-মিনিবাস-কোচ-মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ময়নুল ইসলাম এ কর্মবিরতি পালনের কথা বলেন।
তিনি বলেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি চৌহাট্টায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বিনা নোটিশে স্ট্যান্ড উচ্ছেদের নামে লোকজন নিয়ে হামলা করে আমাদের শ্রমিকদের অনেক গাড়ি ভাঙচুর করেন ও আমাদের ওপর হামলা করেন। আমরা বাঁচার তাগিদে তাৎক্ষণিক দক্ষিণ সুরমায় সড়ক অবরোধ করেছিলাম। কিন্তু পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফের দেওয়া আশ্বাসের ভিত্তিতে আমরা অবরোধ তুলে নিই। কিন্তু পরবর্তীতে সিসিকের মামলা গ্রহণ করা হলেও আমাদের মামলা গ্রহণ করেনি পুলিশ। তারপরও গত ২১ তারিখে আমরা সিটি কর্পোরেশনে বৈঠকে বসি। সেখানে আমাদের গাড়ির ক্ষতিপূরণ দেওয়ার এবং আমাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস প্রদান করা হয়। কিন্তু এ পর্যন্ত সিসিক মেয়র ও পুলিশ কমিশনার এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেননি। যার কারণে আমরা আবারও রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি।
মেয়র আরিফ ও পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফের উদ্দেশে মানববন্ধনে এ শ্রমিক নেতা বলেন, আপনারা আমাদের বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করুন। না কি আপনারা আমাদের সঙ্গে লাগার চেষ্টা করছেন? এমন যদি করেন, তবে আমরা পরিবহন শ্রমিকরা রাজপথে পড়ে থাকব, রাজপথ ছেড়ে যাব না। আগামী ১৩ মার্চ রাতের মধ্যে আপনারা এ বিষয়টি যদি সমাধান না করেন, তবে ১৪ মার্চ সকাল থেকে পরিবহন শ্রমিকরা সিলেট জেলায় অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করবে। এর পরেও সমাধান না হলে পর্যায়ক্রমে সিলেট বিভাগ, এমনকি সারা দেশের গাড়ির চাকা বন্ধ করতে বাধ্য হব আমরা।

এর আগে গত ৩ মার্চ সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন পরিবহন শ্রমিক নেতারা। স্মারকলিপিতে পরিবহন শ্রমিকদের পক্ষ থেকে তিনটি দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হচ্ছে- কোতোয়ালি থানায় শ্রমিক ও নেতৃবৃন্দের উপর দায়ের করা মিথ্যা মামলাদ্বয় প্রত্যাহার, ভাঙচুরকৃত গাড়ির ক্ষতিপূরণ ও আটককৃত গাড়ি ফেরত দেওয়া এবং গাড়ি রাখার জন্য স্ট্যান্ডের ব্যবস্থা করা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি