সিলেট জৈন্তাপুর থানার দামড়ী ব্রীজের রেলিং ভেঙ্গে ট্রাক নদীতে হেল্পার ড্রাইভার নিহত

রিপোর্টার মোঃরাসেল আহমদ সিলেট জৈন্তাপুর বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : Monday, February 15, 2021
  • 248 Time View

সিলেট জৈন্তাপুর দরবস ইউনিয়নের দামড়ী ব্রিজের রেলিং ভেঙে ট্রাক নদীতে পড়ে চালক ও হেলপার নিহত হয়েছেন।নিহতরা হচ্ছেন, জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের বন্দরহাটি গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে এবাদুর রহমান খোকন (২৭) ও গোয়াইনঘাট উপজেলার নলজুরি পশ্চিমপাড় গ্রামের মাহতাব হোসেনের ছেলে রাসেল আহমদ (৩৫)।
রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ইউনিয়নের দামড়ী ব্রিজে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহসিন আলী জানান, নিহত দুইজনের একজন ট্রাকের ড্রাইভার ও অপরজন ট্রাকের হেলপার। এরা ঘটনাস্থলে নিহত হন। মূলত ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে জৈন্তাপুর ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট উল্টে যাওয়া কাদা ও পানির মধ্যে অর্ধেক নিমজ্জিত ট্রাক থেকে চালক ও হেলপারকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য নিহতদের মরদেহ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি