সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব’র নেপাল সফর

জেএসটিভি বাংলা ডেস্ক ঃ
  • Update Time : Monday, July 11, 2022
  • 64 Time View

দক্ষিন এশিয়ার বৃহত্তম মানবাধিকার সংস্থা সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ও ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী আগামী ১৪ জুলাই, ২০২২ তিন দিনের সফরে নেপাল যাচ্ছেন। নেপালে অবস্থানকালে নেপালের সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝালা নাথ খানাল, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. নারায়ণ খদকা, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গাওয়ালী, অবকাঠামো ও পরিবহন মন্ত্রী মোহাম্মদ ইশতিয়াক রাই’র সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করবেন এবং নেপালের নির্বাচন কমিশন, নেপাল মানবাধিকার কমিশন, বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত, নেপাল মুসলিম কমিশন, চেম্বার অব কমার্স, নেপাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, ইসলামী সংঘ, হজ¦ কমিটি ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন নেপাল শাখার আয়োজনে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করবেন। উক্ত সফরে অন্যান্যদের মধ্যে রয়েছেন, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও নিউজ বিএনএ -এর সম্পাদক মিজানুর রহমান মজুমদার, কেন্দ্রীয় পরিচালক বঙ্গবন্ধু গবেষক ড. মুহম্মদ মাসুম চৌধুরী, আজীবন সদস্য ইফতেখার আবেদীন চৌধুরী। তিনি ১৭ জুলাই ঢাকার উদ্দেশ্যে কাঠমুন্ডু ত্যাগ করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি