সাতক্ষীরায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে বাবা গ্রেফতার

বি এম বাবলুর রহমান :- তালা-সাতক্ষীরা
  • Update Time : Thursday, March 4, 2021
  • 112 Time View

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটায় ১২ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎ বাবাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি,ঘটেছে৪ঠা মার্চ(বৃহস্পতিবার)ভোরের দিকে ধর্ষককে গ্রেফতার করেছেপাটকেলঘাটায় থানার পুলিশ । গ্রেফতারের পর দুপুর ১২টার দিকে তাকে সাতক্ষীরা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতার কৃত আসামী পাটকেলঘাটা থানার সরুলিয়া ইউনিয়নের জুসখোলা গ্রামের তবারক সরদারের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৮) তিনি পেশায় একজন ইটভাটা শ্রমিক।
পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের কর্মকর্তা ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত করে জানান ১২ বছর আগে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার স্ত্রীর বিচ্ছেদ হয়ে যায়। পরে তিনি আবার বিয়ে করেন। সেই পক্ষের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। একটি কন্যা সন্তান পাবনাতে কাজ করে। আরেকটি ঢাকায় কাজ করে। সম্প্রতি মেয়েটি বাড়িতে বেড়াতে আসে।
মেয়েটির সৎ বাবা তাকে বিভিন্ন সময় যৌন হয়রানি করে আসছিল। গত ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মেয়েকে বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন। পরে মেয়েটি এ ঘটনা তার মাকে জানায়। মা বাদী হয়ে বাবার বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। পরে ভোরে রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি