শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে ৩০ মার্চ

ডেস্ক রিপোর্ট;
  • Update Time : Saturday, February 27, 2021
  • 137 Time View

আগামী ৩০ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শনিবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে তিনি এ সিদ্ধান্ত জানান।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এছাড়াও কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অংশ নেয়া এক কর্মকর্তা বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, শিক্ষকদের করোনা টিকা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে। যে কারণে ছুটি বাড়িয়ে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এছাড়া বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ (আইজিপি), স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রমুখ।

এর আগে আরও তিনমাস পর আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার কথা জানিয়েছে সরকার। এর আগে ১৭ মে থেকে খুলবে আবাসিক হল। তার আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দেয়া হবে। দেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরও ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে প্রায় চার লাখ ছয় হাজার ৪৬৯ জন শিক্ষক রয়েছে। আর কর্মচারীর সংখ্যা এক লাখ ৬২ হাজার ৮৬১ জন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রায় ১৫ হাজার ৫২৪ জন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রাথমিকে শিক্ষক আছেন ছয় লাখ ৮৫ হাজার ৪০০ জন। এরমধ্যে প্রাথমিকসহ অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ইতোমধ্যে টিকা নেয়া শুরু করেছেন।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি বাড়িয়ে ঘোষণা করা হয়েছিলো।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি