শখ থেকেই রঙিন মাছ চাষ করে এখন সফল উদ্যোগতা গাইবান্ধার নবীন!

সাকিব হাসান চৌধুরী সাম্য গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Saturday, March 6, 2021
  • 138 Time View

রঙিন মাছ চাষে সফল উদ্যোগতা নিয়াজ মোর্শেদ নবীন এর বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় বাহারি নানা প্রজাতির মাছদের সকালের খাবার খাওয়াচ্ছেন তিনি।

আঙিনায় ছোট বড় ইট দিয়ে তৈরি চৌবাচ্চায় রাখা ও বিশ্বাল ট্যাংক এর পানিতে ভাসছে নানা রঙের রঙিন মাছ।

এর মধ্যে লাল, নীল, কমলা, কালো, বাদামি, হলুদ রঙের মাছের ছড়াছড়ি গোল্ড ফিশ, গাপ্পি, ব্লাকমোর,কমেট, রেড ক্যাপ, মলি, বেলুন মলি সহ এছাড়াও অনেক ধরনের মাছ।

এই মাছ দেখলে যেমন চোখ জুড়ায়, তেমন মন ভরে যায়।

২ বছর হলো রঙিন মাছ চাষ শুরু করেন তিনি।

রংপুর এর মৃদুল রহমান স্যার এর পরামর্শ,তারপর তার খালাতো ভাই সালমান সরদার দুজনেই তাকে মাছ চাষে নানা পরামর্শ দিতে থাকেন।

শুরু দিকে তিনি অটোব্রিডিং এর মাছ দিয়ে যেমন মলি, প্লাটি, গাপ্পি মাছ দিয়ে শুরু করেন।

আর এখন সব মিলে তিনি মাসে ৮-১০ হাজার টাকা আয় করেন।

সব কিছুবাদ দিয়ে বছরে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয় করেন। আর করোনার সময় বেশি বিক্রি হয়েছে।

একুরিয়াম এর সকল সরঞ্জাম তার কাছে পাওয়া যায়। গাইবান্ধা কালার ফিস নামে এ্যাকুরিয়াম ও রঙিন মাছের শপ গোটা গাইবান্ধায় পরিচিত।
তিনি গাইবান্ধার মধ্যে পাইকারি দরে সব জিনিস বিক্রি করেন।

তিনি বলেন, কে কেমন সেল করে আমি জানি না। কিন্তু মানুষের শখকে কাজে লাগিয়ে অসাধু কিছু লোক দাম বেশি নিচ্ছে। যার কারণে মানুষের শখ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

জেলা শহরের ডিসি অফিস থেকে সামনে সুখশান্তি বাজারের বনবিভাগ রোডে তার বাড়ি।

বর্তমানে তিনি মৎস চাষের পাশাপাশি নিউ মেরিট কেয়ার কোচিং এ শিক্ষক হিসেবে আছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি