রাজারহাটে প্রকাশ্যে ফিল্মী স্টাইলে কুপিয়ে ৫জনকে গুরুতর আহত করেছে সন্ত্রাসীরা

মোঃফেরদৌস আহম্মেদ কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Friday, February 19, 2021
  • 191 Time View

শুক্রবার বিকেল ৫ ঘটিকায় রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙ্গা ইউনিয়নে সুলতান বাহাদুর গ্রামের নিরীহ একরামুল হকের বাড়ীতে গিয়ে সন্ত্রাসীরা ফিল্মী স্টাইলে কুপিয়ে ৫জন কে গুরুতর আহত করেছে।আহতরা হলেন বিজলী বেগম ও তার স্বামী সাঈয়্যিদুল,জাহিদুল ইসলাম,সায়েম ও আবু সায়িদ।আহত ৫জনের মধ্যে রংপুর হাসপাতালে ৩জন,লালমনিরহাট হাসপাতালে ১জন ও কাউনিয়া হাসপাতালে ১জনকে ভর্তি করে করা হয়েছে।তাদের মধ্যে বিজলী বেগমের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। এঘটনায় পুলিশ ৭জন কে আটক করে থানা হাজতে নিয়ে যান।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায় প্রতিবেশী আব্দুল হামিদ ও একরামুল হকের মধ্যে জমি জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয়ভাবে তাদের বিরোধ মিমাংসা করার জন্য ঐ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিন্দ্রনাথ কর্মকার গ্রাম্য সালিশ বৈঠকে বসে উভয় পক্ষকে কাগজ পত্র দেখানোর কথা বললে, আব্দুল হামিদ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে আব্দুল হামিদ জমির কাগজপত্র দেখানোর জন্য তিন মাসের সময় চান। কিন্তু এক মাস না পেরুতেই চেয়ারম্যান রবিন্দ্রনাথ কর্মকার ও ঐ এলাকার সন্ত্রাসীদের গড ফাদার আলতাফ হোসেনের নির্দেশে ভাড়াটে সন্ত্রাসী লিওন, আরিফ,আব্দুল হামিদ,সানী সহ কয়েকজন একরামুল হকের বাড়ীতে গিয়ে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে প্রবেশ করে জায়গা খালি করতে বলেন। ভুক্তভোগী একরামুল হক নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি ছেড়ে দিতে অস্বীকৃতি জানালে সন্ত্রাসীরা এলোপাথাড়িভাবে কুপাতে থাকেন। এতে একরামুল হকের পরিবারের ৫জন সদস্য গুরুতর আহত হন। এলাকাবাসী সন্ত্রাসীদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। এবিষয়ে রাজারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজু সরকার বলেন ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে ঘটনাস্থল থেকে ৭জন কে গ্রেফতার করেছি।মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মোঃফেরদৌস আহম্মেদ মিরাজ
রাজারহাট কুড়িগ্রাম
তাং১৯/০২/২০২১-ইং

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি