মহেশখালীতে ১৭ হাজার জাল টাকা নিয়ে তারেক এক ব্যাক্তি পুলিশের হাতে আটক

দেলোয়ার হোছাইন কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Friday, February 19, 2021
  • 141 Time View

মহেশখালীর উপজেলার কালামারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা পূর্ব মাঝের পাড়া মসজিদ ও মাদ্রাসার বার্ষিক ধর্মীয় সভাস্থল থেকে ১৭ হাজার জাল টাকা নিয়ে আটক হলেন শাপলাপুর ইউনিয়নের জেম ঘাট এলাকার বাসিন্দা তারেক।

মাদ্রাসার বার্ষিক ধর্মীয় সভায় জাল টাকা নিয়ে তারেক
কৌশলে সাথে দান করার নাম দিয়ে এক হাজার টাকার একটি নোট দিয়ে বলল সেখান থেকে তিনশ টাকা নিতে আর সাতশ টাকা ফেরত দিতে বলেন।

ফেরত দিতে গিয়ে উক্ত সভায় দায়িত্বরত নুর কাশেমের এক হাজার টাকার সেই নোটের প্রতি সন্দেহ প্রবণ হলে
তাকে আটকাতে বলেন উপস্থিত লোকজন’কে।

আটক করার পরে তারেক’কে জিঙ্গাসাবাদে জাল নোটের কথা স্বীকার করে।

জালটাকা নিয়ে বিভিন্ন জায়গাতে অপকর্মের করার কথার স্বীকারোক্তিদে।

তার হেফাজতে থাকা ষোল হাজার জাল টাকার নোট সহ তাকে স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবুর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

উক্ত বিষয়টি মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোঃআব্দুল হাই,অবগত হলে তাঁর নির্দেশে দ্রুত সময়ে পুলিশের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছায়।

পরে কালামারছড়া ইউনিয়নের ০২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আক্তারুজ্জামান জাল টাকা সহ তারেকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

উক্ত বিষয়ে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃআব্দুল হাই সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন-

কালামারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলার একটা ধর্মীয় সভা থেকে শাপলাপুরের তারেক নামের এক ব্যাক্তিকে নদগ ১৭ হাজার টাকার জাল নোট সহ স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আটক করা হয়েছে।

আটক কৃতর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি