মহেশখালীতে বনবিভাগের জায়গা দখলমুক্ত, গুড়িয়ে দিয়েছেন পাকা দালান

দেলোয়ার হোছাইন কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Sunday, February 28, 2021
  • 155 Time View

চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের আওতাধীন মহেশখালী রেঞ্জের মুদিরছড়া বিটের পাহাড়ী মৌজার বনভূমি দখলমুক্ত করেছে বন বিভাগ।
জানাযায়, বনবিভাগের জায়গার উপর অবৈধভাবে বাড়ি তৈরী করে একটি রাতও ঘুমাতে পারেনি দখলবাজরা। রাতে গোপনে বাড়ি তৈরী করলেও সকালে বনকর্মীরা ওই ঘরটি উচ্ছেদ করে বনজ সম্পদ দখলমুক্ত করেছেন।
২৭ ফেব্রুয়ারী (শনিবার) সকাল ১১ টার সময় মহেশখালী উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের দিনেশপুর বিট এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
জানা যায়, মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিজিত কুমার বড়ুয়ার নেতৃত্বে, দিনেশপুর বিট কর্মকর্তা মোঃ জোবায়ের হোসেন, শাপলাপুর বিট কর্মকর্তা মোঃ রাজিব উদ্দিন ইব্রাহিমসহ অত্র রেঞ্জের সকল বিটের স্টাফ ও ভিলেজারদের সমন্বয়ে উক্ত অভিযান পরিচালিত হয়।
মহেশখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা অভিজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, পাহাড়ে সক্রিয় দালাল চক্রের সহায়তায় ভূমিদস্যুরা সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা ও বাড়ি ঘর গড়ে তুলেছে। অভিযানে দখলদারদের স্থাপনা ভেঙে উচ্ছেদ করে জায়গাগুলো সরকারের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এবং বন আইনের বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি