ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু

মোঃ ছিদ্দিক ভোলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Sunday, March 14, 2021
  • 246 Time View

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাচড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন একটি ভবনের সেপটিক টাংকে নেমে তিন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন একজন।

রবিবার (১৪ই মার্চ) বেলা সোয়া ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, সেন্টারিংয়ের খুঁটি খুলতে সকালে কয়েকজন শ্রমিক নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে নামেন। কিছুক্ষণ পর একে একে তারা অচেতন হয়ে পড়েন। পরে ভেতর থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন।

এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পল্লব কুমার জানান, গ্যাসের কারণে তাদের মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টির তদন্ত চলছে।

তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, সেপটিক ট্যাংক থেকে তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন এবং এখনো একজন নিখোঁজ রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি