ভোটারদের ভয়ভীতি বা বাধাগ্রস্থ করলে বরদস্থ করা হবে না – সিইসি

ডেস্ক রিপোর্ট;
  • Update Time : Monday, February 22, 2021
  • 156 Time View

আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি যশোরের কেশবপুর পৌর সভা নির্বাচন উপলক্ষে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বচন কমিশন কে এম নুরুল হুদা বলেন, নির্বচন অবাদ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হবে। কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচারণ বিধি বহিরভূত লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। পৌরসভা নির্বাচনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটাররা তাদের মুল্যবান ভোট প্রয়োগ করবেন। ভোট কেন্দ্রে এসে ভোটাররা নির্বিগ্নে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন। ভোটারদের কোন প্রার্থীর কর্মীরা ভয়ভীতি বা বাধাগ্রস্থ করলে বরদস্থ করা হবে না। দাঙ্গা হাঙ্গামা ও প্রভাব বিস্তারের কোন সুযোগ নেই। প্রশাসনকে কঠোর দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বচন সুষ্ঠ ও শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষে সার্বক্ষণিক নির্বহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও র‌্যাবের মোবাইল টিম জোরদার রয়েছে। নির্বাচনের পরিবেশ অত্যন্ত ভালো। কোন ঝুঁকি নেই। ইভিএমে ভোট প্রদানে ভোটারদের কোন অসুবিধা হবে না।
যশোরের কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে স¤পন্ন করার লক্ষে সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা এসব কথা বলেন।

যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর প্রকল্প পরিচালক ব্রিগ্রেডিয়ার আবুল কাশেম, যশোর জেলা পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিভাগীয় নির্বাচন অফিসার ইউনুচ আলী, যশোর জেলা নির্বাচন অফিসার হুমায়ূন কবির ও কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি কেশবপুর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি