বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান বালিয়া ব্লাড ব্যাংকের

বাহার উদ্দিন, ফুলপুর(ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Friday, February 19, 2021
  • 162 Time View

ময়মনসিংহের ফুলপুরে বালিয়া ব্লাড ব্যাংকের আয়োজনে ১৯শে ফেব্রুয়ারি রোজ শুক্রবার সম্পুর্ণ বিনামূল্যে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
জানা যায়, উপজেলার বালিয়া বাজারের আশরাফ মার্কেটে, বালিয়া ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা কবি ও সাহিত্যিক আশরাফ উদ্দিন এর উদ্যেগে, হালুয়াঘাট আই কেয়ার সেন্টার এর সৌজন্যে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এ চক্ষু শিবিরের আয়োজন।
বিনামূল্যে রোগীর চক্ষু পরীক্ষা করা, রোগীকে ব্যবস্থাপত্র, হত দরিদ্রদের মাঝে ঔষধ বিতরণ ও অবশিষ্টদের অপারেশনের জন্য যাছাই-বাছাই করা হয়।
বালিয়া ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠাতা কবি ও সাহিত্যিক আশরাফ উদ্দিন বলেন, অন্ধজনে দেহ আলো’-এই ব্রত নিয়ে বালিয়া, রূপসী, বওলা, ঢাকুয়া, শাকুইয়াই ইউনিয়নের সর্বস্তরের শতশত মানুষকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা দিতে পেয়ে আমি খুব খুসি । কিন্তু আমার মন মতন সেবা দিতে পারিনি জনগণকে? আমার আর ও ডাবল ইচ্ছা ছিল সেবা দেবার জন্য। তিনি আরোও বলেন, সকল সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের কে চক্ষুসেবা দিয়েছেন ডাঃ ফুরকান আলী শেখ, ডাঃ জামান আহমেদ শেখ। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ব্লাড ব্যাংকের সহ সভাপতি স্বাস্থ্য সহকারী মোহাম্মদ আলমগীর, মোহাম্মদ তুহিন, ইমাম হোসেন, আবু তালেব, ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইমন হোসেন, সাথি আক্তার সহ আরও অনেকে।
সচেতন নাগরিকরা বলেন বালিয়া ব্লাড একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য এ ধরনের জনকল্যাণ মূলক কার্যক্রম করে আমরা খুবি খুসি। অদূর ভবিষ্যতেও যেন এমন কাজ চলমান থাকে ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি