বাউফলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ব‍্যক্তির মৃত্যু

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, July 17, 2022
  • 46 Time View

পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আলম ব্যাপারি (৫০) নামের এক ব্যাবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটে উপজেলার নওমালা ইউনিয়নে নওমালা গ্রামে। মৃত্যু আলম ব্যাপারি নওমালা গ্রামের মৃত্যু আমির ব্যাপারির ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, আজ ১৭-০৭-২০২২ইং রবিবার আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ব্যবসায়ী আলম ব্যাপারি নিজ রেইনট্রি গাছের ডাল কাটতে গিয়ে নিজ ঘরের উত্তর পাশে গাছের ওপর উঠেন। ডাল কাটার সময় পল্লী বিদ্যুতের একটি তার ডালের সঙ্গে একটি তার হঠাৎ স্পর্শ করলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গাছ থেকে নিচে আছড়ে পড়েন। স্থানীয়রা আলম বেপারীকে স্থানীয় নগরের হাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুতের এজিএম গগন সাহা বলেন, গাছ কাটতে গিয়ে নিহতের ঘটনায় বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাউকে জানানো হয়নি। জানালে এমন ঘটনা ঘটতো না।

বাউফল থানার ওসি আল-মামুন প্রতিবেদককে জানান, “আলম ব্যাপারি মৃত্যুর ঘটনা শোনার পরে ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি