বাউফলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত।

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, July 24, 2022
  • 44 Time View

“নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলদেশ” স্লোগনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফলে সিনিয়র মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে র্্যালী, আলোচনা সভা’র মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালিত হয়েছে।

রবিবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ ভবন মিলনায়তনে র্যালী শেষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জনাব মোঃ মাহবুব আলম তালুকদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব মোঃ আল আমিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো শামসুল আলম মিয়া,উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম বেগম নিশু সহ স্থানীয় সাংবাদিক, মৎস্যজীবি ও মৎস্য চাষিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরন, প্রামান্য চিত্র প্রর্দশনী, সফল মৎস্য চাষীদের মাঝে ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি