বাউফলে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠিত।

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : Friday, July 29, 2022
  • 34 Time View

পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার সকাল ১০ টায় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য দপ্তরের কার্যালয়ে এ সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জনাব মোঃ মাহবুব আলম তালুকদার এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক বি,এ ডি সি সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা,মুক্তিযুদ্ধের চেনা বাস্তবায়ন মঞ্চ এর পটুয়াখালী জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ নুর ইসরাইল তালুকদার (হিরু), সাংবাদিক জাহিদ শিকদার, ক্ষেত্র সহকারী আনিসুর রহমান, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রসহকারী মোঃ ফয়সাল, অফিস সহকারী মোঃ সোহেল রানা,তথ্য সংগ্রহকারী, হামিদা, আকাশ, মোহিবুল সহ জেলে ও মৎস্য জীবি উপস্থিত ছিলেন ।
সভাপতির বক্তব্যে জনাব মাহবুব আলম তালুকদার জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে ২৩ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত ৭ দিনের কর্মসূচি তুলে ধরেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি