বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল

সিলেট জেলা ভ্র‍্যামমান প্রতিনিধি; শেখ জামাল হোসাইন।
  • Update Time : Sunday, February 21, 2021
  • 228 Time View

সাব্বির আহমদের পরিচালনায় এবং বাহারুল আলম বাহারের সভাপ্তিতে এ মিছিল করা হয় মিছিলে বক্তব্য রাখেন ইম্তাজ আলী সাবেক আহবায়ক ও সোহেল আহমদ নবগঠিত যুগ্ন আহবায়ক ও আলতাফ হোসেন বিলাল আহবায়ক সেচ্ছা সেবী সহ আব্দুর শুক্কুর মেম্বার আরো অনেকে জৈন্তাপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি গঠন হওয়ায় যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটি ও সিলেট জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক বাহারুল আলম বাহার ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুহেল আহমদ এর নেতৃত্বে আজ জৈন্তাপুর উপজেলা সদরে এক আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, আনন্দ মিছিলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির বি এন পির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন……

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি