বরিশালের আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় বাজারের ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী আব্দুল মালেক হাওলাদারের ইন্তেকাল

আকন মোঃ ইমরান আলী, আগৈলঝাড়া(বরিশাল) প্রতিনিধি।।
  • Update Time : Tuesday, March 9, 2021
  • 160 Time View

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা সদরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিক্ষানুরাগী ও কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল মালেক হাওলাদার (৮৭) অসুস্থ হয়ে সোমবার রাতে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন
(ইন্নালিল্লাহি….রাজেউন)।

মৃত্যুকালে তিনি ৩ ছেলে, ১ মেয়ে, নাতী-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার আগৈলঝাড়া ভেগাই হালদার পাবলিক একাডেমীর মাঠে জোহর বাদ মরহুমের জানাজার নামাজ শেষে উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

মরহুম আব্দুল মালেক হাওলাদার উপজেলা সদরের এসএম বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও আগৈলঝাড়া শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ছিলেন।

তার মৃত্যুতে শোকার্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে, পার্বত্য শান্তিচুক্তি কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী) , বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ্ মো: লিটন সেরনিয়াবাত,

সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, কোটালীপাড়া উপজেলার সাবেক পৌর মেয়র মোঃ অহিদুল হক হাজরা, সরকারি শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ সরদার আকবর আলী, সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হেমায়েত উদ্দিন সরদার,

গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল হোসেন টিটু তালুকদার, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন লাল্টু, আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুস ছাত্তার মোল্লা, ফরহাদ তালুকদার,

উপজেলা যুবলীগ সভাপতি, সাইদুর সরদার,বাকাল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম পাইক,বাগধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক বজলুল হক হাওলাদার, ব্যবসায়ী সাহানুর হাওলাদার ধলা,যুবলীগ নেতা সবুজ আকন, ফয়জুল সেরনিয়াবাতসহ হাজার-হাজার ধর্মপ্রান মুসলিম জনগন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি