বরিশালের আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে ২য় বার্ষিকী ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

আকন মোঃ ইমরান আলী, আগৈলঝাড়া (বরিশাল)প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Tuesday, March 2, 2021
  • 139 Time View

আগৈলঝাড়া কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে ২য় বার্ষিকী ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।উক্ত ওয়াজ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ এর সম্মানিত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ও উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত। মাহফিলের সভাপতিত্ব করেন গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল হোসেন টিটু তালুকদার। উক্ত মাহফিলে ওয়াজ নছিয়াদ করেন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ ফজলুল হক, ইমাম ও খতিব কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ আগৈলঝাড়া বরিশাল, উক্ত মাহফিলে আরো উপস্থিত থেকে ওয়াজ নছিয়াদ করেন হযরত মাওলানা আলামিন হোসাইন, ইমাম ও খতিব নগর বাড়ী জামে মসজিদ আগৈলঝাড়া। বরিশাল। আরো ওলামায় উপস্থিত থেকে উপস্থিত থেকে ওয়াজ নছিয়ত করেন।।।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি