বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কোভিড-১৯টিকা গ্রহন করলেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিসহ সাংবাদিকরা

আকন মোঃ ইমরান আলী, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Wednesday, February 17, 2021
  • 230 Time View

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কোভিড-১৯ টিকা গ্রহন করেছেন উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিসহ সাংবাদিকরা

সকল গুজব উড়িয়ে ব্যথামুক্ত, পার্শ¦ প্রতিক্রিয়া বিহীন কোভিড-১৯টিকা গ্রহনের মাধ্যমে নিজেকে ও পরিবারকে করোনা ভাইরাস থেকে সুরক্ষিত রাখতে দিন দিন অনলাইনে রেজিষ্ট্রেশনের সাথে সাথে টিকা গ্রহনকারীর সংখ্যাও বেড়েই চলেছে।

বুধবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিকাদান কেন্দ্রে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহন করেছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবুল হাশেম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন,

বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস, গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল হোসেন টিটু, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সাইদুল সরদার, যুবলীগ নেতা ফয়জুল সেরনিয়াবাত, প্রেসকাব সভাপতি সরদার হারুন রানা, বাংলা টিভির প্রতিনিধি এফএম নাজমুল রিপনসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

উপজেলা হাসপাতালের স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা, বক্তিয়াল আল মামুন জানান, বুধবার শেষ কার্য দিবস পর্যন্ত উপজেলায় বুধবার ৩৩০জন ব্যক্তি কোভিড-১৯টিকা গ্রহন সম্পন্ন করেছেন। একই সময়ের মধ্যে টিকা গ্রহনের জন্য অনলাইনে আবেদন করে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন ৩৩৯৮জন। মোট টিকা গ্রহনকারী সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৭৫০জনে।
ডা. বক্তিয়ার আল মামুন আরও জানান, উপজেলায় ৯৪৭ ভায়াল কোভিড-১৯ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে প্রতি ভায়াল থেকে ১০জনকে টিকা প্রদান করা যাবে। সেই হিসেবে উপজেলায় ৯হাজার ৪শ ৭০জনকে কোভিড-১৯ টিকা প্রদান করা যাবে। টিকার প্রথম ডোজ গ্রহনের চার সপ্তাহ পরে দ্বিতীয় ডোজ গ্রহন করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি