বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আল-কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসায় কুরআন শরীফ বিতরণ

আকন মোঃ ইমরান আলী, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Sunday, March 7, 2021
  • 142 Time View

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় গৈলা আল-কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিশুদের মাঝে কুরআন শরীফ বিতরণ ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা গেছে, গত(৬/০৩/২০২১)তারিখ শনিবার সকালে উপজেলার গৈলা গ্রামে গৈলা আল-কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১০জন শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন শরীফ বিতরণ করেন প্রধান অতিথি উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত।

গৈলা আল-কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সবুজ আকনের সভাপতিত্বে কুরআন শরীফ বিতরণ ও দোয়া মিলাদে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা ফরহাদ হোসেন তালুকদার, উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ লিটন, ঢাকা আদাবর থানা শ্রমিকলীগের সভাপতি আশ্রাফুল আলম দুলাল, সাবেক যুবলীগ নেতা শরীফ ইলিয়াস, গৈলা হাসপাতাল জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা রেজওয়ান, গৈলা আল-কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ইমাম ও খতিব মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ, বাটাজোর মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মাসুদুর রহমান, হাফেজ মোঃ আবু হানিফ, মাওলানা জামাল হোসেন, মাওলানা রমিজ উদ্দিন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মনির তালুকদার প্রমুখ। গৈলা আল-কুরআন হাফিজিয়া মাদ্রাসার ১০জন শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে কুরআন শরীফ বিতরণ শেষে দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি