ফুলপুর থেকে ময়মসিংহ যাত্রীদের চরম দূর্ভোগ-

বাহার উদ্দিন, ফুলপুর(ময়মনসিংহ) জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Monday, March 1, 2021
  • 101 Time View

ফুলপুর টু ময়মনসিংহের লোকাল বাস সার্ভিস না থাকায় চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণের। দীর্ঘদিন ধরে ফুলপুরের জনগণ ময়মনসিংহের সাথে যোগাযোগ রক্ষার জন্য হালুয়াঘাট ও শেরপুরের বাস সার্ভিস গুলোর উপর নির্ভরশীল ছিলো। পরে ফুলপুর-ময়মনসিংহ বিআরটিসি বাস সার্ভিস চালু হয় এবং সেইসাথে কমে যায় যাত্রী দুর্ভোগ। কিন্তু পরবর্তীতে করোনার জন্য বিআরটিসি বাস সার্ভিস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুনরাবৃত্তি ঘটে যাত্রী হয়রানির।

ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা হালুয়াঘাট ও শেরপুরের বাস গুলো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে ফুলপুরের যাত্রীদের কাছ থেকে। বিশেষ করে প্রতিদিন বিকালের পরে ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা বাস গুলো ফুলপুরের যাত্রীদের উঠাতে চায় না। বিকল্প পরিবহন (থ্রি হুইলার) গুলোও তখন সুযোগ বুঝে দ্বিগুণ হারে ভাড়া আদায় করে।

স্বাভাবিক ভাড়া ৩০ টাকা হলেও প্রতিদিন বিকালের পর ও জাতীয় ছুটির দিনগুলোতে যাত্রীদের কাছে ১০০-১৫০ টাকা ভাড়া দাবী করে পরিবহন শ্রমিকরা। কারণ জানতে চাইলে যাচ্ছে ইচ্ছে তাই আচরণ করে।

সাধারণ যাত্রীর পাশাপাশি এই দুর্ভোগ পোহাতে হয় ছাত্র ছাত্রীদের ও। অনেক সময় ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকেও বাস পাওয়া যায় না। ফলে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যেতে হয় থ্রি হুইলার (সিএনজি চালিত) দিয়ে। যা ছাত্রছাত্রীদের পরিবারের পক্ষে অনেকাংশেই আর্থিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

তাই ফুলপুরবাসীর প্রত্যাশা স্থানীয় নেতৃবৃন্দ খুব দ্রুত উক্ত সমস্যার সমাধান করে যাত্রী হয়রানির লাঘব করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি