ফুলপুরে ১৫বছরের সপ্নের পুরোনো রাস্তাটি এখন বিলীনের পথে,,

বাহার উদ্দিন, ফুলপুর (ময়মনসিংহ) জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Sunday, March 14, 2021
  • 239 Time View

ময়মনসিংহ জেলায় ফুলপুর উপজেলার ৭ং রহিমগঞ্জ ইউপির ২নং ওয়ার্ডের দোয়াই থেকে দাদরা বাজারের মেইন পাকা রাস্তা পর্যন্ত ১৫বছরের সেই পুরোনো সপ্নের রাস্তাটি এখন বিলীনের পথে।

এলাকার সাধারণ মানুষের নিকট থেকে জানা যায়, এই রাস্তাটি দিয়ে ভোর হতে রাত ১২টা পর্যন্ত হাজার হাজার মানুষের চলাচলে মুখরিত হয়ে থাকে এই জনবহুল রাস্তাটি ।তাছাড়া এই রাস্তা দিয়েই পঙ্গুয়াই উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং পঙ্গুয়াই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দাদারা বাজার মহিলা মাদ্রাসাসহ মোট ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থীদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটিই ।

এলাকার জনসাধারণের নিকট হতে আরও জানা যায়, এক সময় এই রাস্তাটি দিয়ে অটোরিক্সা,ভ্যানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করতে পারতো,কিন্তু বর্তমানে কিছু অসাধু স্বার্থবাদী মানুষ রাস্তাটি কেটে জমিনে পতিত করায় রাস্তার প্রশস্ততাও অনেকটা কমে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দোয়াই গ্রামের একজন মুরুব্বী জানান,গত ক’দিন পূর্বে রাস্তার একটি খালভার্ট ভরাটের জন্য তারা নিজেরাই উদ্যোগী হয়ে কিছু মাটি কেটে ভরাট করতে চেয়ে ছিলেন কিন্তু স্হানীয় প্রভাবশালীদের জন্য তা বন্ধ করতে বাধ্য হোন।
বিগত ২০২০সালে ইউপি চেয়ারম্যান আবু সাইদ সরকার রাস্তাটিতে মাটি ভরাটের উদ্যোগী হলেও পরবর্তীতে তা থমকে যায়।

স্হানীয় ব্যক্তিবর্গ আরও জানান যে,বর্ষাকালে রাস্তাটি হাটুঁ পানি হওয়া সত্বেও শিক্ষার্থী ও জনসাধারণ অতি কষ্টে বাধ্য হয়ে চলাচল করেন।

তাই এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করে বলেন, স্হানীয় ফুলপুর উপজেলা প্রশাসন যদি রাস্তাটির কাজে এগিয়ে আসেন তাহলে এলাকাবাসীদের অনেকটা দুঃখ কষ্ট দূর হবে এবং কৃতজ্ঞ থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি