ফুলপুরে ঘরের আর্তনাদে পথ চেয়ে বসে আছেন ছকুর মা

বাহার উদ্দিন, ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Friday, February 26, 2021
  • 143 Time View

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ৪ নং সিংহেশ্বর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কুটুরাকান্দা গ্রামের নিবাসী ছকুর মা। আসল নাম শহরবানু।স্বামী তুরাফআলি আর ২ পুত্র তিন মেয়ে নিয়ে অভাবে টানাপোড়নে চলে সংসার। স্বামী দিনমজুর বা সাহায্য-সহযোগিতা করে পাঁচ সন্তানের মুখে তিন বেলা আহার তুলে দেওয়া অত্যন্ত কষ্টের ব্যাপার ছিল। তিনবেলা আহার দিতে না পারলেও কোনদিন একবেলা খেয়ে দিন কেটে যেতো ওঁদের। স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলে স্বপ্নের জালবুনত।ছেলেরা বড় হয়ে হয়তো কামায় রুজি করে আমাদের অনন্ত দুবেলা খাবার জোগাতে পারবে। কিন্তু তা বাস্তবে পূরণ করতে পারেনি তার দুই ছেলে। গ্রামের ছেলে পেলে বলে একটু বড় হয়েই,বড় ছেলে বিয়ে করেই কয়েকদিন পরে পৃথক হয়ে যান। এভাবেই চলতে থাকে ছকুরমার অভাবের সংসার। কিছুদিন পর স্বামী চলে যান না ফেরার দেশে। স্বামী মরে যাওয়ার পর অভাব আর দুঃখ-কষ্ট একসাথে তার কাঁধে ভর করে। সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে বাড়িতে বাড়িতে দৈনিক মজুরি হিসেবে কাজ করে ছোট ছেলেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতে থাকে। কিছুদিন পর ছেলে খোকন বিয়ে করে মাকে একা রেখে পৃথক হয়ে যান। খোকন পৃথক হওয়ার পরপরই মাকে নিয়ে চলে ঝগড়া ফ্যাসাদ আর ভাগাভাগি কে ভাত দিবে কে কাপড় দিবে?ছকুরমার ঠেলা ধাক্কা আর ভালো লাগেনা। পলিথিনে ঘেরা ভাঙ্গা ঘরের বারান্দায় লাঠি হাতে বসে স্বপ্নের প্রহর গুনছে একটি ঘরের আশায়। এখন তার কাকুতি-মিনতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবদার,”আমাকে একটি ঘর দিন!আমাকে একটি ঘর দিন!আমাকে একটি ঘর দিন “।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি