পুসাগ এর উদ্যোগে গাইবান্ধা জেলার সবচেয়ে বড় আলপনা উৎসব অনুষ্ঠিত

সাকিব হাসান চৌধুরী সাম্য গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Friday, February 19, 2021
  • 138 Time View

মেধা, শ্রম ও সম্প্রীতি
আগামীর গাইবান্ধা বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতি
এই স্লোগান কে সামনে রেখে ‘পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট্ এসােসিয়েশন অব গাইবান্ধা (পুসাগ)’ এর
আয়ােজনে, আন্তর্জাতিক মাতভাষা দিবসে আয়ােজিত গাইবান্ধা জেলার সবচেয়ে বড় আলপনা উৎসব-
আলপনায় একুশের চেতনা ২০২১
আলপনার উদ্বোধন করেন,
প্রধান অতিথিঃ জনাব মােঃ আবদুল মতিন
জেলা প্রশাসক, গাইবান্ধা
বিশেষ অতিথিঃ জনাব মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম
পুলিশ সুপার, গাইবান্ধা
আরাে উপস্থিত ছিলেন,পুসাগের সভাপতি – হুসেইন মােঃ জীম
সাধারণ সম্পাদক- এ.কে প্রামানিক পার্থ
নির্বাহী সভাপতি ডাঃ তনময়নন্দী
২১ ফেব্রুয়ারি প্রভাত ফেরীতে আলপনার দ্বার উন্মােচন করবেন।
জনাব মােঃ মতলুবর রহমান (মেয়র, গাইবান্ধা পৌরসভা)
অনুষ্ঠানে আরাে আয়ােজন করা হয়,
১. বেলুন উড়িয়ে শুভ উদ্বোধন করা
২, পুসগ ব্লাড সেলের উদ্বোধন
৩, রক্তদান কর্মসূচি
উক্ত অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযােগিতায় ছিলেন- জনাব মােঃ মতলুবর রহমান (মেয়র, গাইবান্ধা পৌরসভা)
বিশেষ সহযােগিতায়- গণ উন্নয়ন কেন্দ্র, গাইবান্ধা

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি