পটুয়াখালী ইটবাড়িয়ায় হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম, থানায় অভিযোগ।

Reporter Name
  • Update Time : Sunday, July 17, 2022
  • 56 Time View

পটুয়াখালী সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ধনখালী গ্রামে ফরিদ সিকদার (৪০), নামের এক মিশুক চালককে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করা হয়েছে। গত বুধবার (১৩’জুলাই-২০২২ ইং) তারিখ বেলা আনুমানিক ১২.৩০ মিনিটের সময় ঘটনাটি ঘটে।

এবিষয়ে আহতর বড় ভাই আউয়াল সিকদার (৫৫), বাদী হয়ে গত শনিবার ১৬’জুলাই ১১ জনের নাম উল্লেখ ও ৭/৮ জন অজ্ঞাত আসামির বিরুদ্ধে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সুত্রে, আসামিরা হলো, (১). শাহাবুদ্দিন (৪০), পিতাঃ মান্নান হাওলাদার, (২). মোতাহার হাওলাদার (৫৫), পিতাঃ মৃত কাদের হাওলাদার, (৩). রনি হাওলাদার (২৫), পিতাঃ শাহ আলম হাওলাদার, (৪). শাহাদত হাওলাদার (৩৫), পিতাঃ মোতাহার হাওলাদার, (৫). বশির হাওলাদার (২৮), পিতাঃ মন্নান হাওলাদার, (৬). রিফাত হাওলাদার (১৯), পিতাঃ মিন্টু হাওলাদার, (৭). নাসির হাওলাদার(২৪), পিতাঃ মন্নান হাওলাদার, (৮). মিন্টু হাওলাদার (৩৮), পিতাঃ মোতাহার হাওলাদার, (৯). মন্নান হাওলাদার (৬০), পিতাঃ মৃত কাদের হাওলাদার, (১০). শাহ আলম (৪৫), পিতাঃ মন্নান হাওলাদার, (১১). সবুজ হাওলাদার (৪২), পিতাঃ মন্নান হাওলাদার। উভয় আসামিরা ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ধনখালী গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরো ৭/৮ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, বিবাদী মন্নান হাওলাদারের নেতৃত্বে সকল বিবাদীগন সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ফরিদ সিকদারের উপর হামলা চালায়। এসময় এলোপাতাড়িভাবে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্রের দিয়ে কুপিয়ে ফরিদ সিকদারের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর হাড়-মাংস কাটা জখম করে। এ সময় আহতর হাড় গুরো হয়ে যায় এবং বিছিন্ন হয়ে এক টুকরা হাড় রাস্তায় পড়ে থাকে। একপর্যায়ে জখমী ফরিদ সিকদারের ডাক চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনার সাক্ষীগনেরা বিবাদীদের হাত থেকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করেন।গুরুতর জখম হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসার জন্য জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতালে ও পূর্নবাসন প্রতিষ্ঠান শেরেবাংলা নগর, ঢাকা রেফার করেন। জখমী ফরিদ সিকদার বর্তমানে জাতীয় আর্থোপেডিক হাসপাতাল ঢাকায় মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানাগেছে।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

এব্যাপারে জখমীর বড় ভাই আউয়াল সিকদার বলেন, পুর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ১৩’জুলাই মোতাহার হাওলাদারের ছেলে মন্নানের নেতৃত্বে তার ভাই ফরিদকে হত্যার উদ্দেশ্য হামলা চালানো হয় এবং ঐ দিন বাড়িতে বসেই তাকেও মেরে ফেলার হুমকি দেয় আসামি মোতাহার হাওলাদার তিনি বলেন টার্গেট ছিলো তোকে কিন্তুু পেলাম না, তাই তোর ছোট ভাইকে কুপিয়ে পঙ্গু করলাম। তবে তোকে পরবর্তীতে হত্যা করবো বলে হুমকি দেয়। বর্তমানে (বিবাদীদের) ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বাদী আউয়াল সিকদার ও তার পরিবার। তিনি প্রশাসনের নিকট আকুল আবেদন জানিয়ে আসামিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি