পটুয়াখালীতে স্টেনো টাইপিস্টের হামলায় জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর আহত

বিশেষ প্রতিনিধি
  • Update Time : Friday, July 29, 2022
  • 40 Time View

পটুয়াখালী সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্টেনো টাইপিস্ট খলিলুর রহমানের হামলায় আহত হয়েছেন জেলা স্যানিটারী ইন্সেপেক্টর মহিউদ্দিন আল মাসুদ। বর্তমানে তিনি মাথার ক্ষত নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে তিনটায় সিভিল সার্জন অফিসের হেডক্লার্কের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। অফিস কক্ষের এ হামলার ঘটনা জেলায় এখন টক অফ দা টাউনে পরিনত হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসধীন জেলা স্যানিটেশন ইন্সেপেক্টর মহিউদ্দিন আল মাসুদ জানান, সিভিল সার্জন ডাঃ এস এম কবির হাসান পটুয়াখালী জেলার বেসরকারী ক্লিনিক ও হাসপাতাল সমূহের লাইসেন্সের বর্তমান অবস্থা যাচাই বাছাই পূর্বক সঠিক তথ্য নির্নয়ের জন্য তিন সদস্যদের একটি কমিটি গঠন করেন। একমিটির সদস্যরা হলো সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. তৌফিকুর রহমান রাকিব, সিনিয়র মেডিকেল টেকনোলজিস্ট রফিকুল ইসলাম ও মহিউদ্দিন আল মাসুদ। তবে ক্লিনিকের তদারকির এ বিষয়টি আগে দেখাশোনা করতো
স্টেনো টাইপিস্ট খলিলুর রহমান। নতুন কমিটি গঠন করায় অনেকটা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন খলিল। আজ বিকালে মাসুদ সিভিল সার্জন অফিসের হেডক্লার্কের কক্ষে গিয়ে এক স্টাফের কাছে উক্ত ফাইল সম্পর্কে কথা বলছিলেন। এসময় খলিল পিছন থেকে স্টিলের স্কেল দিয়ে মাসুদের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এতে মাসদু জ্ঞান হারিয়ে ফেললে সহকর্মীরা
তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এবিষয়ে স্টোনে টাইপিষ্ট খলিলেল সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।
পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. এস এম কবির হাসান জানান, ঘটনা শুনেছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মনিরুজ্জামান জানান, এঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি