নেপাল মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সনের সাথে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিবের মতবিনিময়

নেপাল প্রতিনিধি ঃ
  • Update Time : Thursday, July 14, 2022
  • 63 Time View

নেপাল মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সনের সাথে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিবের মতবিনিময়
“দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি মোড়ল দেশের তুলনায় সমুন্নত”

সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাষ্ট্র কোনভাবেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারে না। রাষ্ট্র চাইলে প্রতিটি মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা সহজ বিষয়। অথচ দেখা যায়, প্রশাসনের কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে সমগ্র রাষ্ট্রযন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এতে বিশ্বের মাঝে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। ব্যক্তির অপরাধের দায় রাষ্ট্র নিতে পারে না। তবে অপরাধের শাস্তি নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দক্ষিন এশিয়ার দেশসমূহে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে যা খুবই নগণ্য। সার্বিক বিবেচনায় দক্ষিণ এশিয়ার মানবাধিকার পরিস্থিতি মোড়ল দেশের তুলনায় সমুন্নত বলে উপরোক্ত মন্তব্য করেন নেপালের মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন টপ বাহাদুর মাগার।
অদ্য ১৫ জুলাই, ২০২২ ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন-এর মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী নেপাল সফরকালে নেপালের মানবাধিকার কমিশন ভবনে কমিশনের চেয়ারপার্সনসহ অন্যান্য সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন। এতে উপস্থিত ছিলেন, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন নেপালের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নজির মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ও মুসলিম কমিশনের সদস্য এডভোকেট মাহামাদীন আলী, নেপালের সাবেক মন্ত্রী হাকিকুল্লাহ মুসলিম, নেপালের সাবেক সংসদ সদস্য জুনায়েদ আনছারি, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও নিউজ বিএনএ -এর সম্পাদক মিজানুর রহমান মজুমদার, কেন্দ্রীয় পরিচালক বঙ্গবন্ধু গবেষক ড. মুহম্মদ মাসুম চৌধুরী ও আজীবন সদস্য ইফতেখার আবেদীন চৌধুরী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি