নেপালের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ

জেএসটিভি বাংলা ডেস্ক ঃ
  • Update Time : Friday, July 15, 2022
  • 57 Time View

“বাংলাদেশের দ্বাদশ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের আগ্রহ নেপাল নির্বাচন কমিশনের”

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের নজর কেড়েছে। দীর্ঘ সময় বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকার ফলে এ উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। সরকারের উচিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুদৃঢ় করতে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাধিক সহায়তা করা। বাংলাদেশের মত জনবহুল দেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অত্যন্ত চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক দলসমূহ ও সাধারণ জনগণের সহযোগীতা না থাকলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশন সক্ষম হবে না। দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহে গণতন্ত্র ও সুশাসন নিশ্চিত করতে যৌথ সহযোগীতামূলক কার্যক্রমের বিকল্প নেই। বাংলাদেশের আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিষয়ে নেপালের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তাই আমন্ত্রণ পেলে নেপালের নির্বাচন কমিশন ও নেপালের অন্যান্য সংস্থাসমূহের সর্বাধিক পর্যবেক্ষক প্রেরণ করবে বলে উপরোক্ত মন্তব্য করেন নেপালের প্রধান নির্বাচন কমিশনার দীনেশ কুমার থাপালিয়া।


অদ্য ১৫ জুলাই, ২০২২ সকালে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের চেয়ারম্যান ও সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন-এর মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ আলী নেপাল সফরকালে নেপালের নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের সাথে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, নেপালের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকশন মনিটরিং ফোরামের সদস্যগণ পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এতে উপস্থিত ছিলেন, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন নেপালের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য নজির মিয়া, মুসলিম কমিশনের সদস্য এডভোকেট মাহামাদীন আলী, নেপালের সাবেক সংসদ সদস্য জুনায়েদ আনছারি, সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মজুমদার, কেন্দ্রীয় পরিচালক বঙ্গবন্ধু গবেষক ড. মুহম্মদ মাসুম চৌধুরী।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি