নির্বাহী কর্তৃক মেম্বার নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দৌলতখানের জনগণ

মোঃ ছিদ্দিক, ভোলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Monday, March 8, 2021
  • 159 Time View

ভোলার দৌলতখানে ভবানীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল মতিনকে মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা দৌলতখান পৌরশহরে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে । মিছিলটি পৌরশহরের প্রদান প্রদান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শহীদ মিনার চত্বরে এক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা বলেন, গত রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে এগারোটার দিকে দৌলতখান থানা সংলগ্ন পাতারখাল মাছঘাটে উপজেলা নিবার্হী কর্মকতার্ মোঃ কাওছার হোসেনের নির্দেশে ইউপি সদস্যকে মারধরের ঘটনা ঘটে। তারা ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ করে ইউএনও’র অপসারণ দাবী করেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত মতিন মেম্বার জানান, তার ভাইকে আটক করার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে ইউএনও’র নির্দেশে আনসার সদস্যরা তাকে মারধর করে। এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকতার্ মোঃ কাওছার হোসেন বলেন, রবিবার রাতে মেঘনা নদীতে প্রশাসনের অভিযান চলাকালে একটি মাছ ধরার নৌকাকে ধাওয়া করলে নৌকটি দ্রুত বেগে তীরে চলে আসে। এসময় জেলেরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ওই সময় মনির নামে এক জেলেসহ কয়েকজন জেলেকে আটক করা হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যর নেতৃত্বে স্থানীয় লোকজন ওই এলাকায় জড়ো হয়। একপর্যায়ে মনিরকে ছাড়িয়ে নিতে জনতা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে। ওই সময় সবাইকে সরিয়ে দিতে সঙ্গীয় ফোর্সকে নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় ইউপি সদস্যসহ লোকজন তাড়াহুড়ো করে সটকে পড়ে। এতে ইউপি সদস্য আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি