নলছিটি পৌরসভার দায়িত্ব ভার নিলেন নবনির্বাচিত মেয়র ওয়াহেদ খান

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Friday, March 12, 2021
  • 177 Time View

ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র আব্দুল ওয়াহেদ খান দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

১১/০৩/২০২১ইং তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এবং বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা নবনির্বাচিত মেয়র ও সকল কাউন্সিলরদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

দায়িত্বভার গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে (ভার্চ্যুয়ালে সংযুক্ত) ছিলেন ১৪ দলের মুখপাত্র ও ঝালকাঠি-২ আসনে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুম্পা সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. খান সাইফুল্লাহ্ পনির, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাড. এম আলম খান কামাল, ঝালকাঠি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শাখাওয়াত হোসেন, নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আহম্মেদ, নলছিটি পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনার্ধন দাস প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি