নওগাঁ আত্রাইয়ে হিরোইন ও ইয়াবাসহ দুইজন এবং গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি:
  • Update Time : Thursday, March 4, 2021
  • 138 Time View

নওগাঁ আত্রাই ইসলামগাথী থেকে হিরোইন ইয়াবা সহ হারুন ও মাহবুব নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে আত্রাই থানা পুলিশ। গতকাল আনুমানিক রাত ৮ ঘটিকার সময় ইসলামগাথী সুইচ গেইট এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। হারুন আত্রাই থানার বিশা ইউনিয়নের রানীনগর গ্রামের কাজেম প্রামাণিকের ছেলে এবং মাহবুর ইসলাম গাথি গ্রামের মৃত কছিম উদ্দিনের ছেলে।

আত্রাই থানার সাব-ইন্সপেক্টর জাহাঙ্গীর আলম বলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি মাদকের একটি চালান নিয়ে দুইজন মাদক বিক্রয়ের জন্য ইসলামগাথী সুইচ গেট সংলগ্ন অবস্থান করছে। তৎক্ষণাৎ সঙ্গীয় ফোরসহ তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে হিরোইন ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করি। হারুন ও মাহাবুর এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি।

আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারী যত প্রভাবশালীই হোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে অপরাধীদের কোন ছাড় নাই।

তিনি আরো বলেন গতকাল বিকেলে পার-পাচপুর থেকে সহিদ শেখ নামের এক গাজা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে পার-পাচপুর গ্রামের আহাদ শেখের ছেলে। এ ব্যাপারে আত্রাই থানায় পৃথক দুটি মাদক মামলা হয়েছে।#
একেএম কামাল উদ্দিন টগর
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
মোবাঃ-01749567314

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি