তালায় জনতার বিবেক টিভির প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন

বি এম বাবলুর রহমান:-সাতক্ষীরা,প্রতিনিধি::
  • Update Time : Sunday, February 28, 2021
  • 135 Time View

ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা ও আনন্দমুখর পরিবেশে জনপ্রিয় অনলাইন জনতার বিবেক টিভির প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপিত হয়েছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলায়।

শনিবার দুপুর ৩টায় জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে এক্সপেস নিউজ বাংলা টিভি চ্যানেলের উপজেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার নিজস্ব প্রতিনিধি এসএম হাসান আলী বাচ্চু সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেকে কাটেন উপজেলার জাতীয় পার্টির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক এস এম নজরুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনতার বিবেক টিভির তালা উপজেলা প্রতিনিধি শেখ ইমরান হোসেন। 

বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক এম এ ফয়সাল, চ্যানেল এস এর  ডুমুরিয়া উপজেলা প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম মুকুল, নতুনধারা সংবাদ টিভির বিশেষ প্রতিনিধি ও দৈনিক সবুজ নিশান, দৈনিক জাহানাবাদ জেলা প্রতিনিধি বি.এম বাবলুর রহমান, জনতার বিবেক টিভির খর্ণিয়া প্রতিনিধি রাশিদুরজ্জামান লিটন প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন,পার্থ কুমার মন্ডল,পবিত্র বিশ্বাস,জহর হাসান সাগর, ফয়সাল হোসেন, ক্যামেরাম্যান সাইদুর রহমান আকাশ, অন্যন্যাদের মধ্যে বুরহান হোসেন,শেখ তাহেরান প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি