ঝালকাঠি পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেন লিয়াকত তালুকদার

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Saturday, March 6, 2021
  • 118 Time View

ঝালকাঠি পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব মোঃ লিয়াকত আলী তালুকদার দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

০৬/০৩/২০২১ইং তারিখ শনিবার সকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে তিনি দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

এ বিষয়ে ঝালকাঠি শহর আওয়ামীলীগ সভাপতি ও বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব মোঃ লিয়াকত আলী তালুকদার জানান, জেলা ও পৌর আ’লীগের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মনোনয়ন বোর্ডের কাছে মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী হিসাবে একক ভাবে তার নাম প্রস্তাব প্রেরন করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ঝালকাঠি আওয়ামীলীগের অভিভাবক জাতীয় নেতা আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি মহোদয় এর সাথে পরামর্শ করে তিনি দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

দলীয় এই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ কালে তার প্রধান নির্বাচন পরিচালনাকারী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও জেলা আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোঃ মুনিরুল ইসলাম তালুকদারসহ ঝালকাঠি জেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ বিভিন্ন নেতাকর্মি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি