ঝালকাঠির নথুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবু তালুকদারের পক্ষে গণসংযোগ করছেন জনগন

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Friday, February 26, 2021
  • 162 Time View

ঝালকাঠি সদর উপজেলার নতুল্লাবাদ প্রথম ধাপে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী একেএম শামসুল আলম বাবু তালুকদার এর পক্ষে এলাকাবাসীর ব্যাপক গণসংযোগ । ২৬/০২/২০২১ইং তারিখ শুক্রবার বিকালে তার কর্মী সমর্থক ও স্থানীয় মুরব্বিগন একযোগে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় জনপ্রিয় চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবেক ছাত্র নেতা রাজপথের দুর্দিনের লড়াকু সৈনিক, আওয়ামী লীগ নেতা বাবু তালুকদারের পক্ষে গণসংযোগ করেন। নতুল্লাবাদ ইউনিয়নের জনগণ একমাত্র বাবু তালুকদারকে সৎ, যোগ্য, পরোপকারী পছন্দ প্রার্থী হিসাবেই বেছে নিয়েছেন ইউনিয়ন বাসী বলে জানাগেছে। ঝালকাঠি ২আসনের সাংসাদ আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি,র আস্থাভাজন ও বিশ্বাস্থ বাবু তালুকদার তার নেতা ও অভিভাবক আলহাজ্ব আমির হোসেন আমু এমপি,র নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে মেনে দীর্ঘদিন সুনামের সাথে রয়েছেন এবারের নির্বাচন দল তাকে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিবেন এমন প্রত্যাশাই করছেন তিনি। এদিকে ঝালকাঠি জেলা গোয়েন্দা সংস্থা, এনএসআই, ডিজিএফআইয়ের রিপোর্টেও ক্লিন ইমেজের এ নেতা শীর্ষ স্থানে রয়েছেন বল…

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি