ঝালকাঠিতে ব্রাকের সহযোগিতায় যক্ষা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি :
  • Update Time : Thursday, February 25, 2021
  • 124 Time View

ঝালকাঠিতে ব্রাকের সহযোগিতায় যক্ষা বিষয়ক কর্মশালা বেরাক কার্যালয় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৫/০২/২০২১ইং তারিখ বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলা বেরাক অফিস মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রিফাত আহমেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. প্রজ্ঞা পারমিতা। উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক মোঃ জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন ব্রাকের ব্যবস্থাপক মোঃ আব্বাস আলী, স্বাস্থ্য সহকারী এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ জোবায়ের হোসেন প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাধীনতা সেনিটারিয়ান পরিষদের সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর কামাল, স্বাস্থ্য সহকারী এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নিজামুল হক নাঈম, ব্রাকের অন্যান্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, প্রশিক্ষনার্থী পল্লী চিকিৎসক, শিক্ষক, ধর্মীয় প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি