জ্যামে পড়লে যা করেন শাহরুখ খান

Reporter Name
  • Update Time : Thursday, June 25, 2020
  • 417 Time View

 

এশিয়ার দেশগুলোর বড় শহরে ট্রাফিক জ্যাম একটি বড় সমস্যা। সেটা হোক ঢাকা কিংবা মুম্বাই। আর সে যানজট থেকে রেহাই পান না খোদ বলিউড বাদশা শাহরুখ খানও।

তবে মজার ব্যাপার হলো যানজটে আটকে থাকলেও সময়টা একেবারেই বৃথা যেতে দেন না শাহরুখ। তাহলে কি করেন তিনি?

মঙ্গলবার জ্যামে বসে থেকে সে অনুভুতিই শেয়ার করলেন শাহরুখ খান। জানালেন, ‘যখন জ্যামে বসে থাকি তখন আমি একজন ফটো এডিটর হয়ে যাই।’

মঙ্গলবার করা টুইটে শাহরুখ জানান, ‘জ্যাম আপনাকে একজন ভালো ফটো এডিটর করে গড়ে তুলবে, যেমনটা হয়েছি আমি।’

মোবাইলের ফটো এডিটিং এ শাহরুখ বেশ দক্ষই হয়ে উঠেছেন এমন প্রাপ্তি স্বীকারই করলেন তিনি।

 

এশিয়ার দেশগুলোর বড় শহরে ট্রাফিক জ্যাম একটি বড় সমস্যা। সেটা হোক ঢাকা কিংবা মুম্বাই। আর সে যানজট থেকে রেহাই পান না খোদ বলিউড বাদশা শাহরুখ খানও।

তবে মজার ব্যাপার হলো যানজটে আটকে থাকলেও সময়টা একেবারেই বৃথা যেতে দেন না শাহরুখ। তাহলে কি করেন তিনি?

মঙ্গলবার জ্যামে বসে থেকে সে অনুভুতিই শেয়ার করলেন শাহরুখ খান। জানালেন, ‘যখন জ্যামে বসে থাকি তখন আমি একজন ফটো এডিটর হয়ে যাই।’

মঙ্গলবার করা টুইটে শাহরুখ জানান, ‘জ্যাম আপনাকে একজন ভালো ফটো এডিটর করে গড়ে তুলবে, যেমনটা হয়েছি আমি।’

মোবাইলের ফটো এডিটিং এ শাহরুখ বেশ দক্ষই হয়ে উঠেছেন এমন প্রাপ্তি স্বীকারই করলেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি