জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে বাংলা চালু হচ্ছেনা অর্থের জন্য

ডেস্ক রিপোর্ট;
  • Update Time : Sunday, February 21, 2021
  • 146 Time View

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন জাতিসংঘের দাফতরিক ভাষা হিসেবে বাংলা চালু করার প্রস্তাবে কোনও সদস্য রাষ্ট্রের বিরোধিতা না থাকলেও অর্থের জন্য এটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন। শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা ভাষায় প্রায় ২৭ কোটি লোক কথা বলে। আমরা চাইছি, জাতিংঘের ছয়টি ভাষার পাশাপাশি বাংলাকেও দাফতরিক ভাষা হিসেবে চালু করা হোক। জাতিসংঘ বলেছে, তাদের প্রথম পাঁচটি ভাষা হয়েছে (দাফতরিক) এবং পরবর্তীতে আরবি তারা অন্তর্ভুক্ত করেছে। নতুন ভাষা অন্তর্ভুক্ত করতে হলে খরচ অনেক এবং খরচ নিয়ে জাতিসংঘ সব সময় অনেক উদ্বিগ্ন থাকে।’

তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ জানিয়েছে, বাংলা চালু করতে হলে খরচ আছে। এই খরচ বাংলাদেশ দিলে এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলো আপত্তি না করলে, কোনও সমস্যা নেই।’ কোনও সদস্য রাষ্ট্র প্রস্তাবের বিরোধিতা করেনি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কিন্তু জাতিসংঘ টাকা চাইছে এবং একটি বিরাট অঙ্কের টাকা দাবি করেছে।’ কত টাকা চাইছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর ৬০০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা)।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি