জগন্নাথপুর উপজেলা ও পৌর যুবদলের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত

মোঃ রনি মিয়া জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
  • Update Time : Wednesday, February 17, 2021
  • 213 Time View

স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, খেতাব প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ও
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে এবং
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মিথ্যা মামলায় সম্পুর্ণ অবৈধভাবে সাজা দেওয়ার প্রতিবাদে
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলা ও জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির উদ্যোগে ১৬ ফ্রেব্রুয়ারী মঙ্গলবার
দুপুর ১২ ঘটিকায়
এক প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলটি জগন্নাথপুর পৌর শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন শেষে পশ্চিম বাজারে এসে জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির আহবায়ক আবুল হাশিম ডালিমের সভাপতিত্বে ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক জুবেদ আলী লখন, পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক শামিম আহমেদের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্টিত হয়েছে।
পথসভায় বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও জগন্নাথপুর উপজেলা যুবদলের সদস্য হাজী সোহেল আহমদ খান, জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের আহবায়ক লিটন মিয়া, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মিয়া মোহাম্মদ ইউসুফ, সৈয়দ ইসহাক আহমদ, জহিরুল ইসলাম লেবু, সাদেক আহমদ, রাসেল বক্স, হাফিজুর রহমান, লুৎফু্জামান ছালিক, রুহুল আমিন খান, জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মো: বিল্লাল আহমদ, আব্দুল বশির রুহেল, হেলাল আহমদ, তারেক আহমদ, আকমল হোসেন, আবুল হোসেন রাব্বি প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সুহিনুর রহমান সুহেল, আবুল হাসনাত আমির, আলিউল আহমদ, আব্দুল মালিক খান, জহরুল খান, দিলতাজ মিয়া, আব্দুল মোমিন জুবেল, মো: আল আমিন, রাজু আহমদ, সেলিম আহমদ, সুয়েব আহমদ, সুলেমান আলী, সিরাজুল ইসলাম, খায়রুল ইসলাম, সৈয়দ মারুফ আহমদ, রওশন মিয়া, ফকরুল ইসমাল, পারভেজ আহমদ তালুকদার, আনিসুর রহমান আবু, আব্দুল হক কামালী, রুকন মিয়া, রুবেল মিয়া, সৈয়দ মিজান, নিক্সন আহমেদ, রুহেল আহমদ চৌধুরী, অদুদ কামালী, হাফিজুর রহমান, আব্দুল সালাম, সেলিম মিয়া, পৌর যুবদলের সদস্য শাহ রুহেল, মঈন উদ্দিন, শাহিন আহমদ, আনোয়ার হোসেন আনু, বেলাল আহমদ, মোত্তাকিন বিল্লাহ, ফজলু মিয়া, আবু মিয়া, লেবু মিয়া, আকবর আলী বিরাজ, রুকন মিয়া, আব্দুল আলিম, মাসুম আহমদ, নাবিল মিয়া, শামসুল ইসলাম, শাহিদ মিয়া, হাসান মিয়া, শফিকুল ইসলাম সফু, আমির আলী, নুর আলম, আব্দুর রহমান, নুর ইসলাম, সুজন আলী সহ জগন্নাথপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন যুবদল, জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের নেতাকর্মীরা ।
বক্তারা স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর বীর উত্তম খেতাব সম্পুর্ণ অন্যায়ভাবে অবৈধ ভাবে, শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক বাতিল করার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানান। এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কে মিথ্যা বানোয়াট সাজানো মামলায় সাজা দেওয়ার প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়ে অভিলম্বে এই রায় বাতিলের দাবি জানান।
এ সময় নেতৃবৃন্দ জগন্নাথপুর উপজেলা ও পৌর যুবদলের নবগঠিত আহবায়ক কমিটির পক্ষ থেকে জগন্নাথপুর ও দক্ষিন সুনামগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা, যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি ( সিলেট বিভাগ ) আনসার উদ্দিন আহমদ, সুনামগঞ্জ জেলা যুবদলের সভাপতি আবুল মনসুর মোহাম্মদ শওকত, সাধারণ সম্পাদক এড. মামুনুর রশিদ কয়েছ সহ সকল নেতৃবৃন্দ কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি