জগন্নাথপুরের কুবাজপুর-রাণীগঞ্জ রাস্তার কাজ শুরু হলেও হতাশার শেষ নেই

মোঃ রনি মিয়া জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি :
  • Update Time : Thursday, February 18, 2021
  • 167 Time View

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ৬ নং রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কুবাজপুর-রাণীগঞ্জ রাস্তার কাজ শুরু হলেও এলাকাসীর হতাশার শেষ নেই। বর্ষা মৌসুমে এই রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে যায়। যুগের পর যুগ এমন দুরাবস্থার কারনে অত্র এলাকার হাজারো মানুষের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে।
স্বাধীনতার পর এই রাস্তাটি প্রতিষ্টিত হলেও নজর পড়েনি কারো।
এলাকার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে কিছু জায়গায় সাধারন মাটি ভরাট হলেও এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে আসছেন ইউনিয়নের প্রায় ২০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।
অবশেষে এই জনবহুল রাস্তাটি নজরে পরে বর্তমান সরকারের স্থানীয় সাংসদ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের।
উন্নয়নের অংশ হিসাবে কাজ শুরু হয় বহু প্রত্যাশিত কুবাজপুর- রাণীগঞ্জ এর গুরুত্বপূর্ন এই রাস্তায়।
কিন্তু জনমনে হতাশা তো থেকেই যাচ্ছে।
রাস্তাটির পাঁকাকরণ কাজের টেন্ডার হয়ে রাস্তায় কাজ শুরু হলেও আহমদাবাদ এলাকায় কোন রকম মাটি ভরাট ছাড়াই নীচু ভুমির উপর দিয়ে কাজ শুরু হয়েছে । ফলে নিন্মাঞ্চল দিয়ে পাঁকা রাস্তা হলে, বর্ষায় পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশংকা করছেন গ্রামের ভুক্তভোগী জনসাধারণ।
কুবাজপুর আহমদাবাদ গ্রামের উপেন্ড সূত্রধর, নুরুজ্জামান, মুজিবুর রহমান ময়ূর, জয়নাল আবেদীন, খলিলুর রহমান চৌধুরী, প্রতাপ সূত্রধর সহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, এই নীচু জমিতে রাস্তার পাঁকাকরণ কাজ হলে বর্ষায় রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে ভেঁঙ্গে যাবে। তাছাড়া পানির স্রোতে বাড়ি- ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। স্থানীয় ঠিকাদার নীচু জমিতে থাকা, রাস্তা থেকে মাঠি খনন করছেন। এই রাস্তাটি আরো নীচু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কুবাজপুর গ্রামের একটি অংশে রাস্তাটি পাঁকা রয়েছে।
যদি এই রাস্তার সাথে লেভেল করা হয়, তাহলে বর্ষায় মানুষের দূর্ভোগ কমবে এবং সরকারের বরাদ্ধকৃত টাকা জনগনের কাজে লাগবে।
আমরা এ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য বর্তমান জনবান্ধব সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম সারোয়ার বলেন, কুবাজপুর- রানীগঞ্জ রাস্তাটি পাঁকাকরণ হবে ২ কিঃ মিটারের উপরে। কাজের মান উন্নয়নে আমরা তদারকি করছি। রাস্তাটি যাহাতে ডাউনে না যায়, সেদিকে আমাদের নজর আছে।
রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম রানা জানান, রাস্তাটির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
আহমদাবাদ এলাকায় রাস্তাটি পানির স্রোতে ডাউন হয়ে গেছে।
ডাউনে উচ্চতা বাড়াতে আমি ঠিকাদার বেলাল সাহেবের সাথে আলাপ করেছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি