ক্রিকেটার নাসিরের নব্য স্ত্রী তাম্মির দেয়া কোন তালাক নোটিশ পাননি প্রথম স্বামী রাকিবের স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ

সৈয়দ রুবেল, ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি:
  • Update Time : Friday, February 26, 2021
  • 157 Time View

দেশ জুড়ে আলোচিত জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাসির হোসেনের নতুন স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির পাঠানো কোন তালাক নোটিশ পাননি বলে জানিয়েছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলাধীন ভৈরবপাশা ইউনয়ন পরিষদ।

নাসিরের নব্য স্ত্রী তাম্মি মিডিয়ার কাছে তার সাবেক স্বামী রাকিবের গ্রামের বাড়ী ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনয়ন পরিষদে তালাক নোটিশ পাঠানোর দাবী করলেও তা অসত্য বলে নিশ্চিত করেছে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহম্মেদ ও সচিব মাকসুদুল হক।

২৪/০২/২০২১ইং তারিখ বুধবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রিকেটার নাসির হোসেনের সাথে উপস্থিত তার বিতর্কিত স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির প্রথম স্বামী রাকিব হোসেনকে তালাক দেয়া ও এলাকায় নোটিশ পাঠানোর দাবী প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পরেছে বলে জানাগেছে।

রাকিবের গ্রামের বাড়ী ঝালকাঠি জেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের ষাইটপাকিয়া গ্রামে হলেও তার মা রাকিবের শিশু কণ্যাকে নিয়ে নলছিটি পৌরসভার একটি ভাড়া বাসা নিয়ে সেখানে বসবাস করেন। উক্ত ভাড়া বাসায় খোঁজ নিয়ে দেখা যায় রাকিব তাম্মির ছোট্ট শিশু কন্যাকে রাকিবের মায়ের সাথে ।

এ ব্যাপারে রাকিবের মায়ের সাথে আলাপকালে জানান, তার ছেলেকে যে ছেলের বৌ তালাক দিয়েছে সে কথা তিনি কয়েক দিন আগে মিডিয়ার সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন। তবে তালাকের কোন কাগজই তারা পাননি বলেও জানান।

গত ১৪/০২/২০২১ইং তারিখ বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে ক্রিকেটার নাসির হোসেন এবং তামিমা সুলতানা তাম্মি তাদের বিয়ের ঘোষনা দেয়। এরপরেই প্রথম স্বামী বর্তমান থাকতে তাকে তালাক না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করা এবং অন্যের স্ত্রীকে অবৈধ ভাবে ভাগিয়ে নিয়ে ভ্যাবিচারে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে নাসির-তাম্মির বিরুদ্ধে প্রথম স্বামী রাকিব হোসেন একটি মামলা দায়ের করেন।

এ নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই দেশের ক্রীয়াঙ্গনসহ সকল মিডিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয় আসছে ।

এসব অভিযোগের জবাব দিতে নাসির ও তাম্মি দম্পতি গত ২৪/০২/২০২১ইং তারিখ বুধবার ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন আহবান করেন। সেখানে তাম্মি দাবি করেন যে, তার প্রথম স্বামী রাকিবকে অনেক আগেই তিনি তালাক দিয়েছেন। তাদের মধ্যে ২০১৬ সালে তালাক সম্পন্ন হওয়ার প্রমান হিসাবে সাংবাদিকদের সামনে তালাকের একটি কপি তুলে ধরা হয় ।

সংবাদ সম্মেলনে তাম্মি আরো দাবী করেন, তালাকের এই কপি রাকিবের গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলাধীন ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদেও পাঠানো হয়েছে। এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হতে ২৫/০২/২০২১ইং তারিখ বৃহস্পতিবার ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদ ও রাকিবের পরিবার কাছ গিয়ে তামবির তালাক দেয়ার দাবীর কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।

২৫/০২/২০২১ইং তারিখ বৃহস্পতিবার বিকেলে ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষ এ সংক্রান্ত রেজিস্টার দেখিয়ে বলেন, সাধারণ এ ধরনের কাগজপত্র রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠানো হয় ও প্রতিটি রেজিস্টার্ড ডাক ইউনিয়ন পরিষদের নিজেস্ব রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়। রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠানো হলে তা না আসার কোনো কারণ নেই।

অথচ আমাদের রেজিস্টারে এ ধরনের কোনো নোটিশ আসার তথ্য লিপিবদ্ধ নেই। তাছাড়া নাসির ও তাম্মির দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যেরকম তোলপাড় চলছে তা জানার পর আমরা পুনরায় যাচাই করে দেখেছি কিন্তুএধরনের কোনো নোটিশ আসেনি এবং আমরা এখনো পর্যন্ত পাইনি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি