কোম্পানীগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিহত এক সাঁড়াশি অভিযানে পুলিশ

সিলেট জেলা প্রতিনিধি মীর আয়াত আলী
  • Update Time : Saturday, February 27, 2021
  • 116 Time View

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরির আঘাত ইন্তাজ আলী (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১১টায় উপজেলার পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়নের গুচ্চগ্রাম এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইন্তাজ আলী গুচ্ছগ্রামের মৃত্যু ইউনুস আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, স্বামী স্ত্রী’র পারিবারিক সমস্যা নিরসনের উদ্দেশ্যে স্থানীয় মুরব্বিদের সালিশ বিচার শেষে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল ১১টায় এক যুবকের ছুরির আঘাতে ইন্তাজ আলী আহতে হলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষনা করে।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কেএম নজরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পৌঁছে আসামী শনাক্তের সাঁড়াশি অভিযান চলছে। নিহতের লাশের কোম্পানীগঞ্জ হাসপাতালে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজের প্রেরণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি