কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার অপরাধে ঘর ছাড়তে হলো রোকসানাকে

সাকিব হাসান চৌধুরী সাম্য গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : Saturday, March 13, 2021
  • 193 Time View

কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে রোকসানা খাতুন নামে এক গৃহবধূকে মাত্র চার দিনের নবজাতকসহ তাড়িয়ে দেয় শ্বশুর বাড়ির লোকজনেরা।

স্বামী তাড়িয়ে দেওয়ায় বাবার বাড়িতে আশ্রয় নিতে হয় রোকসানাকে।

গত কাল স্বামীর বাড়ির উঠান থেকে নবজাতক ও গৃহবধূকে উদ্ধার করে পুলিশ।

নির্যাতিতা বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে যৌতুক মামলা করেন। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

স্বামী রাজা মিয়া ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে কন্যা সন্তানের বাবা হবে জানতে পেরে স্ত্রীর ওপর চলে নির্যাতন। নানা ছুতা ধরে মারপিট, কখনও যৌতুক চেয়ে নির্যাতন চলে আসছিল মেয়েটির উপর।

গত ৮ মার্চ রংপুরের একটি বেসরকারি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম নেয় তার কণ্যা সন্তান, সন্তান কে নিয়ে বাড়িতে আসলাে ঢুকতেই দেয়া হয়নি তাকে। বাড়ির মূল ফটকে ঝুলিয়ে দেয়াা হয় তালা।

নবজাতকসহ সারাদিন বাড়ির উঠানে বসেছিলেন মা।
উপায়ান্ত খুঁজে না পেয়ে সন্ধ্যার দিকে ৯৯৯-এ কল দেন রোকসানা। ততক্ষণে কোলের নবজাতকটি অনেকটাই অসুস্থ হয়ে পড়েন।

খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রোকসানা ও তার নবজাতকে উদ্ধার করে। পরে তার শ্বশুর বাড়ির মূল গেটে তালা ও বাড়িতে কাউকে না পেয়ে পুলিশ তাকে সুন্দরগঞ্জের বাবার বাড়িতে পাঠায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি