উচ্চতর শিক্ষার উদ্দেশ্যে শেখ বাড়ী ফাউন্ডেশন এর শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এখন মিশরে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ মোঃ জয়নাল আবেদিন।
  • Update Time : Friday, February 26, 2021
  • 119 Time View

বিস্তারিত সংবাদঃ
নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ইলিয়াছাবাদ ইউনিয়ন এর ঐতিহ্য-বাহী শেখ পরিবারের সর্ব-পরিচিত কয়েকজন যুবক এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ইউনিয়নটাকে দ্বন্দ্ব সংঘাত থেকে বেরিয়ে এনে শান্তিপূর্ণ ইউনিয়ন গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

তাদের একটি মাত্র লক্ষ উদ্দেশ্য ছিলো সেটা হলো নিজেদের বংশের সকল ছোট ভাইদের শিক্ষার উচ্চশিখরে পৌঁছানো ও কর্ম জীবনে পৌঁছে দেওয়া।

সত বাধা বিপত্তি, জুলুম নিপিড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়েও তারা আজ প্রযন্ত কারোর সাথে দ্বন্দ্বে না জড়িয়ে ছোটভাইদের প্রতিষ্ঠিত করার চিন্তাভাবনা করে যাচ্ছে।

ফলাফল স্বরূপঃ
শেখ পরিবারের উজ্জ্বল নক্ষত্র……
আমাদের সকলের আদরের ভাই…..
ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া এর তাফসীরুল কুরআন বিভাগে অন্যতম মেধাবী ছাত্র। শেখ বাড়ি ফাউন্ডেশন, বড়নাল এর শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এস. এম. আবুল হাসান জারজিস উচ্চতর শিক্ষার উদ্দেশ্যে, শিক্ষার রাজ্য মিশরের কাইরো ইউনিভার্সিটির উদ্দেশ্যে গমন করায় শেখ বাড়ি ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা, স্বাগতম, অভিনন্দন ও অন্তরের অন্তস্থল থেকে গভীর ভালোবাসায় শিক্ত করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি