ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্বচ্ছ করার জন্য অনুরোধ।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ জয়নাল আবেদিন।
  • Update Time : Tuesday, March 2, 2021
  • 136 Time View

বিস্তারিত লেখনিঃ
আমি প্রশাসন ও সকল নেতাকর্মীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে কথাগুলো বলছি প্লিজ আমাকে মাফ করবেন!!!

বিষয় ভিত্তিক আলোচনাঃ
বিষয়ঃ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন২০২১!
জানতে চাওয়াঃ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বঙ্গবন্ধুর একান্ত ঘনিষ্ঠ সহচরের সন্তান হিসেবে বাংলাদেশ স্বাধীনতা সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা এমপি এর কাছে একটা বিষয় জানাতে চাই।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য যে জিনিসটা সবার আগে প্রয়োজন সেটা হলো নমিনেশন নেওয়া বা দলীয় প্রতিক আনার চেষ্টা করা।

দলীয় প্রতিক আনার জন্য আমি যতটুকু শুনেছি ৩০/৪০- এলাকাভেদে ১০০ এর বেশি খরচ করা লাগে।

মূল কথাঃ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এর মাসিক বেতন ৮ হাজার টাকা পাচ বছরে আসে ৪৮০,০০০ টাকা! তাহলে কোটি টাকা খরচ করে নমিনেশন আনার উদ্দেশ্য কি।

তাহলে তাদের দ্বারা আমরা এলাকার উন্নয়ন কিভাবেই বা আসা করতি পারি!!

তাই আপনার কাছে এধরণের ব্যাবসায়িক নির্বাচনের পদ্ধতি থেকে জনগণকে বিরত থাকার ব্যাবস্থা করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।।।

বিনীত নিবেদক
মোঃ জয়নাল আবেদিন
পিতাঃ বীর মুক্তিঃ শেখ আব্দুল হান্নান
১৩ নং ইলিয়াছাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ
বড়নাল, কালিয়া, নড়াইল।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি