আগৈলঝাড়ায় নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সন্মননা প্রদান অনুষ্ঠিত

আকন মোঃ ইমরান আলী, আগৈলঝাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধিঃ
  • Update Time : Saturday, March 13, 2021
  • 236 Time View

করোনাকালে নারীর নেতৃত্ব, গড়বে নতুন সমতার বিশ্ব’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা সন্মননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম ও দি হাঙ্গার প্রজেক্টের আয়োজনে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা ডাক বাংলো হলরুমে লক্ষন চন্দ্র বৈরাগীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোসাম্মাৎ দৌলাতুন নেছা নাজমা,বিশেষ অতিথি বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস, খালেদা ওহাব, নারী নেত্রী ও কন্যাশিশু এডভোকেশি ফোরামের উপজেলা কমিটির সম্মানিত সভাপতি এলিনা জাহিন পুতুল,জেলা পরিষদ সদস্য পেয়ারা ফারুক বখতিয়ারসহ প্রমুখ।শেষে নারী দিবস উপলক্ষে সন্মননা প্রদান করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

ভোলার ইলিশা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে তিনদিন আটক ১৩ টি মহিষ ও দুইটি গরু।
গরু মহিষ নিয়ে বিপাকে পড়েছে পুলিশ, রয়েছে খাবার সংকট।
বুধবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩ টায় ইলিশা ফাঁড়ির পুলিশ একটি ট্রাকসহ ফেরিঘাট থেকে আটক করেন।
মহিষের সাথে থাকা নুরে আলম নামের একজন কে কোর্টে প্রেরণ করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ও পটুয়াখালীর সিমানার চরে একটি হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় হত্যা হওয়া নুরু শেখের ছেলে একটি মামলা করেন ওই মামলায় শাজাহান গোলদার নামে একজন কে আসামী করা হয়।
মামলার পর থেকে শাহাজান গোলদার পলাতক থাকায় এই সুযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা ও ভোলার চরফ্যাশন সিমানার চর থেকে ১৩টি মহিষ ও দুইটি গরু লুট করে লালমোহনের এক ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করেন আলী নামের এক লোক। ওই মহিষ ও গরু ইলিশাঘাট দিয়ে পাচারের কথা শুনে মহিষের মালিক পক্ষ ইলিশ ফাঁড়ি পুলিশের মাধ্যমে আটক করেন।
বর্তমানে মহিষের মালিক শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা ও ভাই ফিরোজ তাদের মহিষ ও গরু সনাক্ত করলেও আইনী জটিলতায় পুলিশ মহিষ ও গরু আটক করে ফাঁড়িতে রেখেছেন।
এদিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাচারকারীদের পক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা তদবির করতে দেখা গেছে ইলিশা ফাঁড়িতে।
শাহাজান গোলদারের স্ত্রী জরিনা বেগম বলেন, নির্ধারিত রাখাল ছাড়া মহিষের দেখাশোনা করা সম্ভব না এবং ১৩ টা মহিষের খাবার ইচ্ছে করলেই সংগ্রহ করা সম্ভব না, বাচ্চা মহিষগুলো মারা যেতে পারে। জরিনা আরো জানান মহিষগুলো লুট হারিয়ে যাওয়ার পর আমরা একাদিকবার দুলারহাট ও গলাচিপা থানায় জিডি করতে গেলে পুলিশ আমাদের জিডি নেইনি আর সেই জিডি না থাকায় আমরা মহিষ সনাক্ত করলেও পুলিশ মহিষ দিচ্ছে না।
এবিষয়ে দুলারহাট থানার ওসি মুরাদ হোসেন বলেন মহিষ হারিয়েছে বিষয়টি আমি অবগত তবে আমাদের এড়িয়াতে না হওয়ায় জিডি নিতে পারিনি।
ইলিশা ফাঁড়ির ইনচার্জ আলী আজম বলেন, গরু মহিষগুলো আমরা কোর্টে পাঠাবো, কোর্ট যেই সিদ্ধান্ত নিবে সেটাই হবে।

ভোলায় মহিষপাল নিয়ে তেলেসমাতি